বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন


টিকা নিয়েছেন খিলগাঁও সি ব্লকের বাসিন্দা রেদোয়ান করিম। তিনি এই এলাকায় একটি মুদি দোকানে কাজ করেন। এত দিন কেন টিকা দেননি—এমন প্রশ্নের জবাবে রেদোয়ান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এত দিন ব্যস্ততার কারণে টিকা নেওয়া হয়নি। আজকে ব্যস্ততা কম। বাসার কাছে টিকা দেওয়া হচ্ছে জেনে এলাম। টিকা নিতে কোনো ভোটার আইডি কার্ড, জন্ম নিবন্ধন বা নিবন্ধন কিছুই লাগছে না। এই টিকা নিতে ভেজাল কম।’

এর আগে পল্লীমা সংসদ কেন্দ্রে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের মূল ফটকের বাইরে টিকা প্রত্যাশী নারী ও পুরুষের দীর্ঘ সারি পাশের সড়কে গিয়ে ঠেকেছে। নারী ও পুরুষদের আলাদা সারি। একেকবারে দশজন করে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। প্রবেশের পর প্রথমে একটি বুথে টিকা নিতে ব্যক্তির নাম, বয়স ও মুঠোফোন নম্বর লিখে রাখা হচ্ছে। একই তথ্য একটি কার্ডে লিখে দেওয়া হচ্ছে।

কার্ডটি নিয়ে পাশের বুথে গেলে দেওয়া হচ্ছে করোনার টিকা। ২৭ মার্চ একই কেন্দ্রে এসে টিকা নিতে বলা হচ্ছে। তবে টিকা গ্রহীতারা টিকা সনদ কীভাবে পাবে সে সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে না।

পল্লীমা সংসদে অস্থায়ী টিকাকেন্দ্রে আজ সকাল নয়টা থেকে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। চলবে দুপুর দুইটা পর্যন্ত।

স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এই কেন্দ্রে আজ ৫০০ জনের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য আছে। তবে মানুষের চাপ বেশি থাকলে আরও টিকা এনে দেওয়া হবে। বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে প্রায় ৩০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই কেন্দ্রের সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলের প্রতিনিধি রাশেদুল ইসলাম।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন