বিজ্ঞাপন

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজ শনিবার বিকেলে প্রথম আলোকে এই তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে দুপুরে তিনি বলেছিলেন, এখন যেমনভাবে বিধিনিষেধ চলছে, তেমন করে আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। কাল এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে গত ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। পরে তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। সেটি পরে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। এরপর আবার তা ৫ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়, যা আবার বাড়িয়ে ১৬ মে অর্থাৎ আগামীকাল পর্যন্ত করা হয়েছিল।

চলমান এই বিধিনিষেধে একই জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলতে পারছে। তবে এক জেলা থেকে আরেক জেলায় গণপরিবহন বন্ধ আছে। এ ছাড়া যাত্রীবাহী নৌযান ও ট্রেনও আগের মতো বন্ধ আছে। এর মধ্যে গত ২৫ এপ্রিল থেকে দোকান ও শপিং মল খুলে দেওয়া হয়েছে। খোলা আছে ব্যাংকও। এ ছাড়া জরুরি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত অফিসগুলোও খোলা।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, ঈদের আগে যেভাবে মানুষ চলাচল করেছে, তাতে সংক্রমণ বৃদ্ধি হতে পারে। ২৪ মের দিকে গিয়ে এর বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। সে কারণে আরও কিছুদিন বিধিনিষেধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন