বিজ্ঞাপন

এর আগে ৭ মে বগুড়ার সুতাপুর উপজেলার গোয়ালরোড এলাকার বাসিন্দা এক নারী (৩৪) ভারত থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসেন। পরে আখাউড়া উপজেলা প্রশাসন তাঁকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে পাঠায়। তাঁকে জেলা শহরের অবকাশ হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। ১০ মে দুপুরে অবকাশ হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা ৩১ জনের করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

ওই দিন রাতেই তাঁদের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসে। সবার নমুনা ফলাফল নেগেটিভ এলেও বগুড়ার ওই নারীর নমুনার ফলাফল পজিটিভ আসে। ওই দিন রাতেই ওই নারীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। গত শনিবার রাতে তাঁর দ্বিতীয় পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে।

সিভিল সার্জন মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ভারত থেকে আসা এক নাগরিক নতুন করে করোনা পজিটিভ হয়েছেন। ওই ব্যক্তির মধ্যে করোনার কোনো উপসর্গ নেই। এর আগে ভারত থেকে আসা এক নারী করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন। তাঁর করোনার ফল নেগেটিভ এসেছে। ওই নারীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে সরিয়ে হাসপাতালের অন্য ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তবে তাঁকে আরও ১৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন জানান, ওই নারীর মধ্যে করোনার ভারতীয় ধরন ছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য জিনোম সিকোয়েন্সিং বা ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য নমুনা ঢাকার আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। ভারত থেকে আসা সর্বশেষ করোনা পজিটিভ হওয়া ওই ব্যক্তির নমুনাও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে বলে জানান সিভিল সার্জন।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন