বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার শুরু থেকেই সাবিত্রী গ্রামে গ্রামে যাচ্ছেন সচেতনতার বার্তা নিয়ে। যেখানে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা কম, মানুষ মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে উদাসীন, সেসব গ্রামে গিয়ে তাঁদের সচেতন করার চেষ্টা করছেন তিনি। মাস্ক বিতরণও করছেন। শিশুদের হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে দিচ্ছেন সাবান। এ কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তিনি তাঁর সঙ্গে পেয়েছেন শিক্ষার্থী প্রশান্ত মিঞ্জ, লিনা মিঞ্জ, এলিও মার্ডি, ফারজানা তিন্নী ও পুলিশ সদস্য স্যামুয়েল হাসদাকে।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে সন্তোষপুর গ্রামের একটি বিদ্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশেও সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করেন সাবিত্রী। সুযোগ পেয়ে বাল্যবিবাহ নিয়ে কথা বলেন। সাবান ও মাস্ক বিতরণ করেন তাঁদের মধ্যে।

সাবিত্রী হেমব্রম প্রথম আলোকে বলেন, করোনার শুরু থেকেই তিনি এ কাজ করছেন। তবে মাঝখানে কিছুদিন ছেদ পড়েছিল। ইতিমধ্যে তিনি পবা ও গোদাগাড়ী উপজেলার নিভৃত গ্রামে গিয়ে কাজ করেছেন। এর মধ্যে নবইবটতলা, নিমঘুটু, হলদিবুনা, আন্ধারকোটা, গোপালপুর, মিঞাপুর, ভুগরোইল, সন্তোষপুর, দর্শনপাড়া ইত্যাদি গ্রামে বেশি গেছেন। দু-এক দিন পরপরই তিনি একটা গ্রামে যান। অটোরিকশা থেকে মাইকিং করতে করতে যান।

কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সাবিত্রী। তিনি রাহালা রিমিল ড্যান্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, ইউএনডিপির স্বেচ্ছাসেবক, রুডো ইয়ুথ গ্রুপের সভাপতি, আদিবাসী ছাত্র পরিষদের সহসভাপতি। সাবিত্রী জানান, সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে তাঁর ভেতরে করোনাকালেও কাজ করার সাহস এসেছে। সচেতনতামূলক এ কাজের খরচ এখন পর্যন্ত তিনি নিজ থেকেই বহন করছেন।

করোনাভাইরাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন