মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
ফাইল ছবি

প্রথম আলো: ২৬ তারিখ বড় ক্যাম্পেইনের কথা বলেছেন। আসলে আপনারা কী করবেন?

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা: ২৬ তারিখে প্রথম ডোজ টিকা থেকে বাদ পড়া সব মানুষকে আমরা টিকার আওতায় আনতে চাইছি। আমাদের হিসাবে এক থেকে প্রায় দেড় কোটি মানুষ টিকার বাইরে আছে। আমরা ২৬ তারিখে সর্বোচ্চসংখ্যক মানুষকে টিকা দিয়ে ফেলতে চেষ্টা করছি।

প্রথম আলো: এই বিপুলসংখ্যক মানুষকে এক দিনে টিকা দেওয়ার জন্য আপনাদের এখন প্রস্তুতি কী?

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা: আমরা মাঠপর্যায়ে সব ধরনের লজিস্টিক বাড়াচ্ছি। আমরা টিকাদানকর্মীর সংখ্যা বাড়াচ্ছি। বুথ বাড়াচ্ছি। প্রচার-প্রচারণা বাড়াচ্ছি। আমরা সব জায়গায় বলছি ১২ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক টিকাকেন্দ্রে এলেই তিনি টিকা পাবেন। এ জন্য আমরা স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সবাইকে এই ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত করছি।

প্রথম আলো: ২৬ তারিখের পরে আপনাদের কর্মসূচি কী হবে?

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা: ২৬ তারিখের পর থেকে আমরা মূলত দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের ওপর জোর দেব। তবে যৌক্তিক কারণে কেউ যদি প্রথম ডোজ থেকে বাদ পড়ে যান, তাহলে তাদের আমরা টিকা দেওয়ার চেষ্টা করব। তবে টিকাদানের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে আমরা গণমাধ্যমসহ সবাইকে অনুরোধ করছি, প্রথম ডোজ টিকা পাননি—এমন প্রত্যেকে যেন ২৬ তারিখে টিকা নিয়ে নেন।

প্রথম আলো: আপনাদের এত দিনের টিকাদান কর্মসূচির মূল্যায়ন কীভাবে করবেন?

মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা: বিষয়টা আমি ইতিবাচকভাবে দেখি। সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা একটি দেশে ১০ কোটির বেশি মানুষকে আমরা প্রথম ডোজ দিয়ে ফেলেছি। এটা অনেক বড় ঘটনা। রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ঘটনাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশে একটি বড় সুবিধা হচ্ছে বিশ্বের কিছু দেশের মতো এ দেশে টিকাবিরোধী কোনো প্রচারণা নেই। সে কারণে আমরা সহজে টিকা দিতে পারছি। বাকি যারা আছে, তাদের টিকা দিয়ে ফেলতে পারব।