বিজ্ঞাপন

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রোসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, বাবুল আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পিবিআই সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডের

আবেদনে পিবিআই বলেছে, হত্যাকাণ্ডে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে খুন, সে সম্পর্ক জানতে আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। শুনানিতে বাবুলের পক্ষে দাঁড়ান আইনজীবী আরিফুর রহমান। তিনি রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। আদালত আসামিপক্ষের সে আবেদন নাকচ করে দেন।

বাবুলের আইনজীবী আরিফুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা মামলার বাদী ছিলাম। পুলিশ যথাযথ তদন্ত না করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে। এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আমরা ঘটনার শিকার। উচ্চ আদালতে যাব। আশা করি, সেখানে ন্যায়বিচার পাব।’

বেলা তিনটার কিছু আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলায় হাজির করা হয় বাবুল আক্তারকে। এ সময় তাঁকে খুব বিমর্ষ দেখাচ্ছিল।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন