বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেছেন, এই মুহূর্ত কিউকমের ৩৯৭ কোটি টাকা তৃতীয় পক্ষের কাছে জমা আছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রিপন জানিয়েছেন।

হাফিজ আক্তার বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুন মাসে এসক্রো সিস্টেম চালু করেছে। এই পদ্ধতিতে ক্রেতার টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে জমা থাকে। কিউকমের পে-মেন্ট গেটওয়ে ছিল ফস্টার।

এই পদ্ধতিতে কিউকম ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দিয়ে চালানসহ ডকুমেন্ট ফস্টারে জমা দিচ্ছিল। পণ্য বুঝে পাওয়ার পর ক্রেতা কিউকমকে টাকা দিত। ক্রেতা পণ্য বুঝে না পেলে ফস্টার কর্তৃপক্ষ কিউকমের টাকা আটকে দেয়। এতে ক্রেতা পণ্য বা টাকা কোনোটিই পায়নি।

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার বলেছেন, জমা টাকা থেকে কিউকমের গ্রাহকেরা টাকা ফেরত পেতে পারেন। তবে এর বাইরেও মোটরসাইকেল দেওয়ার কথা বলে কিউকম ২৫০ কোটি টাকা মেরে দিয়েছে বলে রিপন জানিয়েছেন।

ডিবি জানিয়েছে কিউকমের সিইও গ্রেপ্তারের পর ভুক্তভোগীদের অনেকেই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেছেন সৌরভ দে। মামলার এজাহারে তিনিসহ ১৫ জনের নাম ভুক্তভোগী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কিউকম থেকে তাঁদের পাওনার পরিমাণ তিন কোটি ৩০ লাখ ৩৯ টাকা।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন