বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজনের ভাষ্য, গতকাল বিকেলে মাথাভাঙ্গা সেতুর কাছে নদীতে গোসল করতে গিয়ে কয়েকজন কঙ্কাল দেখতে পান। বিষয়টি তাঁরা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হজরত আলীকে জানালে তিনি পুলিশকে জানান। এরপর তা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থলে যায় এবং কঙ্কাল ও আশপাশে থাকা সালোয়ার-কামিজ ও একটি ভ্যানিটি ব্যাগ উদ্ধার করে। ভ্যানিটি ব্যাগের ভেতরে একটি পাসপোর্ট আকারের অস্পষ্ট ছবি ও চার বছর আগের জেএসসি সনদ পাওয়া যায়। দামুড়হুদা মডেল থানার পুলিশ জেএসসি সনদের সূত্র ধরে দৌলতপুর থানার পুলিশ ও মিম খাতুনের স্বজনদের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেন।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক প্রথম আলোকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, কলেজছাত্রী মিমকে বেড়ানোর কথা বলে নির্জন কোনো স্থানে নিয়ে খুন করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হয়। লাশটি ভাসতে ভাসতে দামুড়হুদায় চলে আসে এবং নদীর পানি কমে যাওয়ার পর কঙ্কাল বেরিয়ে আসে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন