বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত (উপসচিব) নাদিয়া হায়দার রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর গত রোববার সিআইডির একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে অপরাধ শনাক্ত করণ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রণালয়ের ছয়জন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। তদন্তের স্বার্থে পরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আরো তিন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশের অপর তদন্ত বিভাগ।

সিআইডির গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার মো. আজাদ রহমান বৃহস্পতিবার রাতে প্রথম আলোকে বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ফাইল গায়েবের ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। ফাইল গায়েবের রহস্য উদ্‌ঘাটনে ওই ৯ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো সিআইডি কার্যালয়ে আনা হতে পারে। তবে সিআইডি ওই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

সিআইডির আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের কোনো কোনো কর্মকর্তার দ্বন্দ্বের জের ধরেও ফাইলগুলো সরানো হয়ে থাকতে পারে। একই কারণে গত আগস্টেও একবার ফাইল গায়েব করা হয়েছিল। ঘটনাটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের হওয়ায় সরকারের সিদ্ধান্ত ছাড়া মামলা নেওয়া যাচ্ছে না। আর মামলা না হওয়ায় তদন্ত করতেও কিছু অসুবিধা হচ্ছে।

এর আগে জিডির তদন্ত তত্ত্বাবধানকারী সিআইডির অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মো. ইমাম হোসেন প্রথম আলোকে বলেছিলেন, জিডির তদন্তের অবস্থা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হবে। তারা চাইলে মামলা করে আটক ৯ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে নথি গায়েবের রহস্যের উদ্‌ঘাটন করবে। আর মন্ত্রণালয় আগ্রহী না হলে সে ক্ষেত্রে সিআইডি মন্ত্রণালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য স্বাস্থ্য শিক্ষা পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নূরের মুঠোফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করেননি। পরে তার মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন