বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছরের ২১ জানুয়ারি প্রথম আলো অনলাইনে ‘ঢাবি শিক্ষকের পিএইচডি গবেষণার ৯৮% নকল’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ৫ ফেব্রুয়ারির সিন্ডিকেট সভায় লুৎফুল কবীরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি অভিযোগ তদন্তে কমিটি করে দেয় সিন্ডিকেট।

আবুল কালাম লুৎফুল কবীরের পিএইচডি অভিসন্দর্ভে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ ওঠার পর তা জোগাড় করে যাচাই করেছে প্রথম আলো। গবেষণার চৌর্যবৃত্তি শনাক্ত করার বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় সফটওয়্যার টার্নইটইনের মাধ্যমে অভিসন্দর্ভটি যাচাই করে দেখা গেছে, ২০১২ সালে রাজধানীর ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী-গবেষকের জমা দেওয়া একটি ‘স্টুডেন্ট পেপারস’-এর সঙ্গে লুৎফুল কবীরের নিবন্ধের ৯৮ শতাংশ হুবহু মিল রয়েছে। এটিসহ মোট ১৭টি জার্নাল, আর্টিকেল ও গবেষণাপত্রের সঙ্গে নিবন্ধটির বিভিন্ন অংশের উল্লেখযোগ্য মিল পাওয়া গেছে, যেগুলোর সবই লুৎফুল কবীরের অভিসন্দর্ভের আগে প্রকাশিত হয়েছে। টার্নইটইন সফটওয়্যার থেকে পাওয়া গবেষণার অরিজিনালিটি রিপোর্টসহ এ-সংক্রান্ত সব তথ্য ও নথিপত্র প্রথম আলোর কাছে রয়েছে।

‘সংস্কৃত বিভাগে একজনও যোগ্য প্রার্থী নেই’

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিয়োগ বোর্ড বসেছিল। সেখানে ১৬ প্রার্থীর কেউই সংস্কৃত লিখতে বা পড়তে পারেননি। ফলে কাউকেই নিয়োগের সুপারিশ করেনি বোর্ড। এ অবস্থায় সিন্ডিকেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশন অব কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলকে (আইকিউএসি) ওই বিভাগের পাঠ্যসূচি ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা (পারফরম্যান্স) পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দিতে বলেছে।

এ ছাড়া সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রতিষ্ঠিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সেন্টার ফর জেন্ডার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের গঠনতন্ত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা পরিষদের সুপারিশ অনুযায়ী ২৪ গবেষককে পিএইচডি ও ১৭ জনকে এমফিল ডিগ্রি দেওয়া হয়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন