বিজ্ঞাপন

হামলাকারীরা তাঁর মাথায়, পেটে, হাতে ও পায়ে এলোপাতাড়ি কোপায় এবং হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে দুর্বৃত্তরা চলে গেলে আশপাশের লোকজন তাঁকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে তাঁর আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় সাংসদ শহিদুল ইসলাম–সমর্থিত আওয়ামী লীগের নেতারা হাসপাতালে যান। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর রাতেই তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আওয়ামী লীগের নেতারা থানায় জড়ো হয়ে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে অবস্থান নেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে লালপুর থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, লালপুরে বর্তমান সাংসদ শহিদুল ইসলাম ও সাবেক সাংসদ আবুল কালাম আজাদের সমর্থকেরা আওয়ামী লীগের তৃণমূলে আলাদা কমিটি গঠন করেছেন। এ নিয়ে বিরোধ আছে। এ বিরোধের জেরে নাজিম উদ্দিনের ওপর হামলা হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলুর রহমান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে। ঘটনার পর থেকে তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঠিক কী কারণে এ হামলা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে দলীয় কোন্দলের কারণেও হতে পারে।

এর আগে গত রোববার রাতেও একই উপজেলার কালুপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন মুসা সরকার নামের এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনা ঘটে। দলীয় কোন্দলের কারণে ওই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন