বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‌্যাব-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক মাহ্ফুজুর রহমান বলেন, ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকার একটি রিসোর্টে কক্ষ ভাড়া নেন সাগর মিজি। তিনি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান, ২০ সেপ্টেম্বর তাঁর স্ত্রী ঢাকা থেকে আসবেন। তখন দুজন থাকতে পারবেন, এমন একটি কক্ষ ভাড়া নেবেন। ২০ সেপ্টেম্বর সাগর স্ত্রী পরিচয় দিয়ে এক নারীকে নিয়ে হোটেলে অবস্থান করেন। পরদিন সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষ ওই কক্ষে কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে নারীর লাশ দেখতে পায়। পুলিশে খবর দিলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে।

র‌্যাব জানায়, ঘটনার ছায়া তদন্তে নেমে র‌্যাব প্রযুক্তির সাহায্যে সাগর মিজিকে শনাক্ত করে। হোটেলে দেওয়া মুঠোফোন নম্বর এবং অন্যান্য সূত্রের মাধ্যমে সাগর মিজিকে গ্রেপ্তারের পরই হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন করা হয়েছে। তাঁকে কক্সবাজার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে র‌্যাব।

মাহ্ফুজুর রহমান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাগর জানিয়েছেন, রিসোর্টের কক্ষে ওই নারীকে তিনি ধর্ষণ করেন। এ সময় ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাঁর। একপর্যায়ে ওই নারীর গলা চেপে ধরে দেওয়ালের সঙ্গে ধাক্কা দিলে মেঝেতে পড়ে যান। তখন ওই নারীর গলা টিপে ধরে পাশে থাকা গ্লাস দিয়ে কয়েকবার মাথায় সজোরে আঘাত করে হত্যা করেন।

মাহ্ফুজুর রহমান আরও জানান, এরই মধ্যে নিশ্চিত হওয়া গেছে, পাঁচজন নারীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করেছেন সাগর। আরও ১০-১২ জন নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তাঁদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার ফাঁদে পা দেওয়া নারীদের মধ্যে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীও রয়েছে। এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে দেখা হচ্ছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন