বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ জানায়, আসামিরা বিভিন্ন নামে–বেনামে ভুয়া ফেসবুক আইডি খোলেন। আইডিতে সব ভুল তথ্য দেওয়া থাকে। প্রোফাইলে সুন্দর কোনো ছবি দেওয়া হয়। মুঠোফোন নম্বরটি থাকে নতুন এবং অন্য কারও নামে নিবন্ধন করা। ফেসবুকে বিভিন্ন সেলস রিলেটেড সাইডে গিয়ে মূল্যবান জিনিস কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন আসামিরা। বিক্রেতার সঙ্গে মেসেঞ্জারে এক সপ্তাহ ধরে চ্যাট করেন। গাড়ির ছবি ও বিভিন্ন তথ্য আদানপ্রদান করেন তাঁরা। একপর্যায়ে নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন বিক্রেতা, যাতে তার সব কথাই বিশ্বাস করা হয়। নিজেকে সচ্ছল পরিবারের সন্তান পরিচয় দেন তাঁরা। বিক্রেতার ঠিকানা জেনে নেওয়ার পর কৌশলে বিক্রেতার ঠিকানা থেকে দূরে কোনো কোলাহলপূর্ণ জায়গা নির্বাচন করেন তাঁরা। মোটরসাইকেল বা অন্য জিনিস কেনার দিন আসামিরা নিজেকে বেশি ব্যস্ত দেখিয়ে বা চট্টগ্রামের বাইরে আছেন বলে অন্য একজনকে পাঠানোর কথা বলে নিজেই চলে আসেন। এরপর মোটরসাইকেল চালিয়ে দেখার কথা বলে দ্রুত মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীকালে ফেসবুক আইডিটি ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেন।

বায়েজিদ বোস্তামী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, ১৩ ডিসেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী থানার বালুচরা বাজারে জামান হোটেলের পাশে এমনই একজন মোটরসাইকেল বিক্রেতা আসেন তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেল বিক্রি করতে। চট্টমেট্রো-ল-১৬-৯৩৩৫, নম্বরের মোটরসাইকেলটি বিক্রয়ের উদ্দেশে কিছুদিন আগে ওয়েবসাইট সেলবাজার ডটকমে পোস্ট করেন। গ্রেপ্তার আসামিরা মোটরসাইকেলটি কেনার জন্য বালুছড়ায় আসেন। গাড়িটি চালানোর কথা বলে দ্রুত মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় বায়েজিদ বোস্তামী থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছিনতাই করা মোটরসাইকেল উদ্ধার করেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন