বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত সাইফুলের ছোট ভাই রাসেল আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, দোকানটি তাঁরা কয়েক ভাই মিলে চালাতেন। ভবনটিতে সামিউল নামের এক ব্যক্তির দোকান আছে।

বুধবার একতলা ভবনটির ছাদ ঢালাই করা হয়। কাজ শেষে সাইফুলকে নির্মাণশ্রমিকদের টাকা পরিশোধ করতে বলেন সামিউল। কিন্তু শ্রমিকদের বেতনের টাকা দুই দোকানির অর্ধেক করে দেওয়ার কথা ছিল।

রাসেল বলেন, এ নিয়ে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে সামিউল ছুরি নিয়ে সাইফুল ও তাঁর দুই ভাইকে (আল আমিন বাবু ও শাহাবুদ্দিন সাবু) ছুরি মেরে পালিয়ে যান। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক সাইফুলকে মৃত ঘোষণা করেন।

আল আমিন ও শাহাবুদ্দিনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
সাইফুলের স্থায়ী ঠিকানা বরিশালের বন্দর থানার সাহেবের হাট টংঙ্গীবাড়িয়া গ্রামে। তিনি সপরিবারে দোকানের পাশেই থাকতেন। পাঁচ ভাই দুই বোনের মধ্যে সাইফুল সবার বড়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন