default-image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিয়ের আয়োজন চলছিল। স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রীর (১৫) সঙ্গে পোশাক কারখানার চাকরিজীবীর (২২) বিয়ের আয়োজন চলছিল। বরের বাড়িতে অপ্রাপ্তবয়স্ক স্কুলছাত্রীর বিয়ে হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনিসুর রহমান।

কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত বিয়েটি বন্ধ করে দেন। এ সময় বর ও কনের মায়েদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। কনের মাকে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে বোঝালে তিনি তাঁর ভুল বুঝতে পারেন। তিনি মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হাসান শেখ, পেশকার মো. হাফিজ উদ্দিন ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ইউএনও মো. আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বেলকুচি উপজেলাকে বাল্যবিবাহমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্য বাল্যবিবাহবিরোধী এ অভিযান চলতে থাকবে। বাল্যবিবাহ বন্ধে তিনি উপজেলার সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন