বিজ্ঞাপন

তদন্তকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, জবানবন্দিতে দ্বীন ইসলাম গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শাবল হাতে ঘরে ঢুকে প্রথমে ভাবিকে, এরপর ভাতিজা লিয়নকে এবং শেষে বড় ভাই আসাদকে হত্যার কথা বলেছেন। পরে তাঁদের মাটিচাপা দেন। পরনের জামাকাপড় পরিবর্তন করে একটি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে যান। এ ঘটনার আরও কেউ জড়িত ছিলেন কি না জানতে আসাদের মা, বোন, বোনজামাই ও ভাগনেদের ১০ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। আজ রোববার এ বিষয়ে আদালতে শুনানি হবে।

গতকাল সকালে আসাদ মিয়ার বড় ছেলে তোফাজ্জল মিয়া বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। মামলায় কাউকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়নি। তবে মামলার বর্ণনায় সন্দেহের তালিকায় পরিবারের নয় সদস্যের কথা উল্লেখ করা আছে। তাঁরা হলেন বাদীর চাচা দ্বীন ইসলাম (৪২), দাদি কেওয়া খাতুন, ফুফু নাজমা বেগম, তাসলিমা বেগম, ফুফা ফজলু মিয়া, ফুফাতো ভাই আল আমিন, আজিজুল ইসলাম, মিজান মিয়া ও রায়হান মিয়া।

পেশাগত কারণে আসাদ দীর্ঘদিন ঢাকায় থেকেছেন। কয়েক বছর আগে গ্রামে ফিরে আসেন এবং নিজ এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্যের দোকান দেন। তাঁর তিন ছেলে। বড় ছেলে তোফাজ্জল মিয়া (১৮) ও মেজ ছেলে মোফাজ্জল মিয়া (১৬)।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন