বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এমন কোনো জেলা নেই, যেখানে সাইবার অপরাধের মামলা হয়নি। তবে রাজবাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা থেকে সবচেয়ে কম মামলা ট্রাইব্যুনালে এসেছে—ছয়টি করে। সাইবার অপরাধের মামলার আসামিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলা পরিচালনার করতে তাঁদের এক লাখ থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়েছে। আর বাদীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করছে রাষ্ট্র।

পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাত বছরে ঢাকা মহানগর ও ঢাকা জেলার ৭৫৭টি মামলা ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। এসব মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশ নিতে সারা দেশ থেকে বাদী, বিবাদী ও সাক্ষীদের ঢাকায় আসতে হয়। এতে সময়, অর্থ এবং শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয় সবাইকে। এ অবস্থায় গত এপ্রিল থেকে আরও সাতটি বিভাগীয় শহরে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচারকাজ শুরু করা হয়েছে।

ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকায় সাইবার অপরাধের মামলার বড় অংশ হচ্ছে নারীদের নিয়ে আপত্তিকর ছবি এবং ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া নিয়ে। দ্বিতীয়ত সরকারপ্রধানসহ রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য, বিকৃত ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা। ঢাকার বাইরেও মূলত এই দুই ধরনের অভিযোগে অধিকাংশ মামলা হচ্ছে।

ট্রাইব্যুনালে ঢাকা মহানগরের সবচেয়ে বেশি মামলা এসেছে রমনা থানা থেকে—সংখ্যা ৬৮। এর বাইরে শাহবাগ থানা থেকে ৩৭টি, তেজগাঁও থেকে ৩৬টি, পল্টন থেকে ২৯টি মামলা ট্রাইব্যুনালে আসে। সবচেয়ে কম—সাতটি মামলা এসেছে ডেমরা থানা থেকে।

রমনা থানায় কেন বেশি মামলা হয়, জানতে চাইলে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, সাইবার অপরাধ আগের চেয়ে অনেক বাড়ছে। মামলা বেশি হওয়ার তা একটা কারণ। এ ছাড়া রমনা থানা এলাকার মধ্যে পড়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কার্যালয়। সাইবার অপরাধের ঘটনায় অনেক মামলা পুলিশ বাদী হয়ে করে। এ কারণে এই থানায় মামলা বেশি।

ঢাকা জেলায় সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে সাভার উপজেলায়—মোট ২৩টি। সবচেয়ে কম মামলা দোহারে—মাত্র একটি। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, সাভার ও আশুলিয়া এলাকার সাইবার অপরাধের মধ্যে আছে নারীদের বিশেষ মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিও প্রকাশ। যেমন রাঙামাটির ১৮ বছর বয়সী এক তরুণী আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তাঁর সঙ্গে রাঙামাটির আরেক যুবকের সম্পর্ক হয়। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যুবক ওই তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে তা মুঠোফোনে ধারণ করেন এবং পরে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। ভুক্তভোগী তরুণী ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে যুবকের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর যুবকের বিরুদ্ধে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। মামলার সাক্ষী ও তরুণীর এক আত্মীয় প্রথম আলোকে বলেন, মামলায় যুবকটি তিন মাস জেল খেটেছেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে আপস হয় এবং দুজনে বিয়ে করেছেন। তবে মামলা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।

সাভারে কেন বেশি মামলা হয়েছে জানতে চাইলে সাভার থানার ওসি মাঈনুল ইসলাম কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সাভার ও আশুলিয়া থানায় সাইবার মামলা বেশি হওয়ার কারণ সম্পর্কে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার প্রথম আলোকে বলেন, ঢাকা জেলার মধ্যে সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা সাভার ও আশুলিয়া। এখানে পোশাক কারখানা অনেক। তরুণ এসব কর্মী স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। তাঁদের ব্যক্তিগত নানা দ্বন্দ্বের প্রতিক্রিয়া চলে আসছে সাইবার পরিসরে। ফলে সাইবারবিষয়ক মামলা বেশি হচ্ছে।

চট্টগ্রামে সাইবার অপরাধ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানা থেকে সাইবার অপরাধের মামলা এসেছে ১৪৯টি। ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনালে আসা চট্টগ্রামের মামলাগুলোর তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এর ১৩১টিই করা হয়েছে বিতর্কিত ৫৭ ধারায়। বাকি ১৮টি মামলা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা।

চট্টগ্রাম জেলায় সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলায়—সংখ্যা ১৬। এ উপজেলায় নিজ দলের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলার ঘটনা ঘটেছে বেশ কটি। উপজেলার কাঞ্চনা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক এম ডি সালাম বাদী হয়ে ২০১৭ সালে একটি মামলা করেন। আসামি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মনির হোসেন, সহসভাপতি ইরফান চৌধুরী ও পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ আহমেদ। বাদী স্থানীয় সাংসদ আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দীন নদভীর অনুসারী। আসামিরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মোতালেব ও সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী। বাদী তাঁর বিরুদ্ধে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ আনেন। কিন্তু তদন্ত শেষে পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

প্রথম আলোর চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক গাজী ফিরোজ এ মামলা নিয়ে স্থানীয় সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। বাদী এম ডি সালাম বলেছেন, ‘নেতারা বলায় মামলায় আর তদবির করিনি। শুনেছি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে।’

আসামি ইরফান চৌধুরী বলেন, ‘মামলা হওয়ার পর তিনজনই গ্রেপ্তার–আতঙ্কে ছিলাম। সাইবার ট্রাইব্যুনাল ঢাকায় হওয়ায় জামিন নিতে যেতেও ভয় হচ্ছিল। যদি পথে গ্রেপ্তার হই!’ তিনি জানান, আসামি মনির হোসেনকে সাতকানিয়া থানা-পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। দলের নেতারা তাঁকে ছাড়িয়ে আনেন। পরে নেতাদের মধ্যস্থতায় মামলার সুরাহা হয়।

স্থানীয় রাজনীতিবিদেরা জানান, সাতকানিয়ায় রাজনৈতিকভাবে জামায়াত-শিবিরের শক্ত অবস্থান ছিল। ২০১৪ সালে আবু রেজা মুহাম্মদ নদভী আওয়ামী লীগ থেকে সাংসদ হন। এর আগে থেকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার ও নাশকতার ঘটনায় অভিযান ও মামলায় কোণঠাসা জামায়াত-শিবিরের কিছু অনুসারী ক্ষমতাসীন দলে ঢুকে পড়েন। ফলে স্থানীয় রাজনীতিতে মেরুকরণ শুরু হয়। ফেসবুকে লেখালেখি বাড়ে।

সাতকানিয়ায় মামলা বেশি কেন জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুতুব উদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, এখানে ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দলের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। তবে যে হারে অপপ্রচার চলছে, সে তুলনায় মামলার সংখ্যা কম। কারণ, অনেকে বাদী হতে চান না। তাঁর দলের নেতা–কর্মীদের একে অপরের বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা অনেকে সহ্য করতে পারেন না। নিজেদের মধ্যে হওয়া কিছু মামলা ইতিমধ্যে মিটিয়ে ফেলা হয়েছে।

সাতকানিয়া থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, এখানে হওয়া মামলার বাদী ও আসামি রাজনৈতিক দলের অনুসারী। ফেসবুকে নারীকে হয়রানি কিংবা প্রতারণার মামলা কম।

গত ১৪ জুলাই আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং তাঁর ভাই ডা. বিদ্যুৎ বড়ুয়ার বিরুদ্ধে ফেসবুকে সমালোচনা করায় সাতকানিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের বাদী হয়ে মামলাটি করেন। আসামি করা হয় সাতকানিয়ার কাঞ্চনা ইউনিয়নের বাসিন্দা চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন (৪৫) ও পটিয়ার বড়লিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম পেরোলার বাসিন্দা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সংস্কৃতিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনকে (৩৮)।

চট্টগ্রাম মহানগরে বেশি মামলা হয়েছে কোতোয়ালি থানায়—মোট ১৪টি। গত ২০ এপ্রিল ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হকের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এ থানায় মামলা হয়। নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আজিজ মিসির মামলার বাদী। ফেসবুক লাইভে এসে তাঁর দেওয়া আক্রমণাত্মক ও উসকানিমূলক বক্তব্য মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

মামলা বেশি হওয়ার কারণ সম্পর্কে কোতোয়ালি থানার ওসি নেজাম উদ্দিন বলেন, কোতোয়ালি এলাকায় আদালত ভবন, কারাগার, নগর পুলিশের কার্যালয়সহ চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ অফিস আছে। প্রতিদিন প্রচুর মানুষ এখানে আসে। তাই ফেসবুকসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইসে আসা কোনো ঘটনার ঘটনাস্থল হিসেবে এ এলাকাকে দেখানো হয়, যার কারণে এ থানায় মামলার সংখ্যা বেশি।

চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি এ কে এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, সাইবার অপরাধের মামলার বেশির ভাগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককেন্দ্রিক মিথ্যা প্রচারণার অভিযোগে করা।

বিভাগীয় শহর ও জেলার বাইরে হবিগঞ্জ ও কুমিল্লায় সাইবার অপরাধের মামলা তুলনামূলকভাবে বেশি। এ দুই জেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ দুই জেলায় ক্ষমতাসীনদের মধ্যে রাজনৈতিক ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেশি। হবিগঞ্জ জেলায় সাইবার অপরাধের মামলা বেশি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে হবিগঞ্জ-৩ আসনের সাংসদ মো. আবু জহির গতকাল মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, আপত্তিকর বক্তব্য ফেসবুকে প্রচারিত হলে তো যেকোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আইনের আশ্রয় নেবেন।

হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রধান কৌঁসুলি (পিপি) সিরাজুল হক চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, হবিগঞ্জে অনেকে সরকারপ্রধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিয়ে ফেসবুক আপত্তিকর মন্তব্য, লেখা ও ভিডিও প্রকাশ করেন। এসব ঘটনায় আগে ৫৭ ধারায় মামলা হয়েছিল। এখন যারা অপরাধ করছে, তাদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হচ্ছে।

প্রথম আলোর কুমিল্লার নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীউল হক জানান, কুমিল্লায় সাইবার অপরাধের বেশির ভাগ মামলা ফেসবুকে রাজনৈতিক নেতা ও তাঁদের কোনো স্বজনের বিরুদ্ধে লেখা, নারীর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে করা। এসব মামলায় পুলিশ দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার করে। ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আশিকুর রহমান স্থানীয় সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিনের মেয়ের জামাইকে নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে। আশিকুরকে কারাভোগ করতে হয়।

রাজশাহীতেও রাজনৈতিক মামলা

রাজশাহী থেকে প্রথম আলোর প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম জানান, ২০১৬ সালে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়া।

দিলীপ রায়কে ওই বছরের ২৮ আগস্ট সকালে আটক করা হয়। বিকেলে ছাত্রলীগ নেতার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরদিন কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় তিন মাস পর তিনি জামিন পান। তাঁর মামলা চালাতে প্রায় তিন লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখনো তাঁকে আদালতে হাজিরা দিতে হয়।

বাদী রাশেদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মামলায় তাঁর তেমন কোনো খরচ নেই। রাষ্ট্রই মামলাটির ব্যয়ভার বহন করছে।

দিলীপ রায় মনে করেন, এ মামলার ফলে তিনি যতটা না ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তার চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেই জনগোষ্ঠী, যাঁরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে চান। এ মামলাগুলো গুটি কয়েকজনের বিরুদ্ধে দিয়ে আরও বিশাল জনগোষ্ঠীকে ভয়ের মধ্যে রাখা হয় বলে তিনি মনে করেন।

জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক প্রথম আলোকে বলেন, বড় শহরের মানুষ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে একটু বেশি সচেতন। চলমান নানা ঘটনা তাদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তৈরি করে এবং তারা তা প্রকাশও করে। এটা ক্ষমতাবান কারও বিরুদ্ধে গেলে তিনি বা তাঁর কোনো লোক মামলা ঠুকে দিচ্ছেন। যাচাই–বাছাই না করে সে মামলা নেওয়া হয়। মানহানিসংক্রান্ত আইনের (দণ্ডবিধির ৪৯৯) বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান থাকলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এসব মামলা নেওয়া হতো না।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন