প্রতিষ্ঠানটির উপাধ্যক্ষ প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্কুলে ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরা (সিসিটিটভি) আছে। ছাত্রের মা–বাবা এ ব্যাপারে জানালে আমরা সিসিটিভি দেখে জড়িত শিক্ষককে খুঁজে বের করতে পারতাম। আজ ছাত্রের মা–বাবা রামপুরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। এরপর থানার ওসি ফোন করলে আমরা শিক্ষককে রামপুরা থানা-পুলিশের হাতে তুলে দিই।’

সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে রামপুরা থানার ওসি জানান, শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন