বিজ্ঞাপন

প্রজ্ঞাপন ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান তাঁর স্ত্রীর নামে বিধবা ভাতার কার্ড করেছেন। সুস্থ ছেলে নাভিল হাসানের নামে কার্ড করিয়ে তুলেছেন প্রতিবন্ধী ভাতা। স্বামী থাকা সত্ত্বেও নিজের দুই শ্যালিকার নামে বিধবা ভাতার কার্ড ও শ্বশুর-শাশুড়ির নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে টাকা তুলে নিয়েছেন কামরুজ্জামান। এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় স্থানীয় সরকার আইন অনুসারে তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক। এর আগে তিনি ফুলগাজী উপজেলার কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পরে কৃষক দল ছেড়ে দিয়ে কৃষক লীগে যোগদান করেন।

ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌসী বেগম বলেন, বরখাস্তসংক্রান্ত আদেশটি কামরুজ্জামানের কাছে পাঠানো হয়েছে।
কামরুজ্জামান বলেন, ইউপি সদস্যপদ থেকে বরখাস্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি পরস্পর শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আদেশ বা কাগজপত্র হাতে পাননি।

চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারি ‘স্ত্রী ও শ্যালিকার নামে বিধবা ভাতার কার্ড করালেন ইউপি সদস্য’ শিরোনামে প্রথম আলোর ছাপা পত্রিকার শেষ পৃষ্ঠায় প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। পরে ৮ ফেব্রুয়ারি ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান অনিয়মের মাধ্যমে স্ত্রী, ছেলেসহ পরিবারের ছয় সদস্যের নামে ভাতা উত্তোলনের কথা স্বীকার করেন। এরপর উত্তোলন করা টাকা ও ভাতার বই ইউএনওর কাছে জমা দেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন