হুমকিদাতাকে এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ

দেশে চালু থাকা সব মুঠোফোনই এখন নিবন্ধিত। তারপরও একই মুঠোফোন নম্বর থেকে খুদে বার্তা পাঠিয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এবং লেখক ও প্রকাশক মঈনুল আহসান সাবেরকে হত্যার হুমকিদাতাকে এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্যসচিব আনু মুহাম্মদকে মুঠোফোনে গত বুধবার রাতে ০১৬২৯৯৬৭৫৫১ নম্বর থেকে খুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর রামপুরা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে গেলে আনু মুহাম্মদের মুঠোফোনে একই নম্বর থেকে আবারও একই হুমকি আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একই ফোন নম্বর থেকে হুমকিসহ খুদে বার্তা পান লেখক ও প্রকাশক মইনুল আহসান সাবের। তিনি এ কথা তাঁর ফেসবুকে লিখেছেন।
রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রলয় কুমার সাহা গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশ এখনো হুমকিদাতাকে খুঁজে পায়নি। হুমকি দেওয়ার পরপরই ফোনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে হুমকিদাতাকে ধরতে সহজ হবে।
এদিকে আনু মুহাম্মদের হুমকিদাতাকে গ্রেপ্তার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি।
গতকাল শুক্রবার কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে ক্ষুব্ধ হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি লুটেরা ও স্বার্থান্বেষী মহল আন্দোলনকারীদের হুমকি-ধমকি দিয়ে আন্দোলন দমন করতে চাইছে।
সম্প্রতি সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনে ব্যাপক জনমত দেখে সরকারের দায়িত্বশীল মহল থেকেও আন্দোলনকারীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আনু মুহাম্মদসহ আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব সরকারের। এর ব্যত্যয় ঘটলে সরকারকেই দায় নিতে হবে।