মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আলামিন প্রথম আলোকে বলেন, মামলার তদন্তে কিছু অগ্রগতি আছে। তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না।

মহিউদ্দিনের অভিযোগ, ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় তাঁর জুয়েলারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আছে। ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি ঢাকার তাঁতীবাজার থেকে ভাড়া করা মোটরসাইকেলে করে নিউমার্কেটে যাচ্ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের সামনে এলে তাঁকে বহনকারী মোটরসাইকেলের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে গতি রোধ করে জলপাই রঙের একটি পাজেরো গাড়ি। ওই গাড়ির সামনে সরকারি একটি বাহিনীর নামের স্টিকার ছিল। গাড়ি থেকে তিনজন নেমে তাঁর মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে তাঁকে গাড়িতে তোলে। তাঁর চোখ ও মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। দুই হাতে হাতকড়া পরানো হয়। তাঁর সঙ্গে থাকা ২০ লাখ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তারপর ঢাকার কেরানীগঞ্জের আবদুল্লাহপুরে তাঁকে ফেলে দেয় ছিনতাইকারীরা। রাস্তার পাশে কয়েকজন তাঁর গোঙানির শব্দ শুনে বাঁধন খুলে দেন। তাঁদের জিজ্ঞাসা করেই জানতে পারেন, তিনি কেরানীগঞ্জের আবদুল্লাহপুরে আছেন।

ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগ। এ বিভাগের উপকমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘আশা করছি, শিগগিরই আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে সব ধরনের চেষ্টা চলছে।’

ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মারধরে তিনি অসুস্থ হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ছিনতাইকারীদের বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের বয়স ২৮-৩২ বছর। উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। গায়ের রং শ্যামলা। মাথার চুল ছোট করে কাটা। পরনে ছিল প্যান্ট, হাফহাতা গেঞ্জি ও হাফহাতা কটি। ডাকাতেরা শুদ্ধ ভাষায় কথা বলে। তাদের দেখলে তিনি চিনতে পারবেন বলেও জানান।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন