পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: রায়ের নথি যাচ্ছে উচ্চ আদালতে

সংশ্লিষ্ট আদালতের অফিস সহায়ক শহিদুল ইসলামকে লাল কাপড়ে মোড়ানো রায়ের নথি পুলিশি নিরাপত্তায় বহন করে উচ্চ আদালতে নিয়ে যেতে দেখা যায়। ঢাকা, ৯ জুনছবি: প্রথম আলো

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়সহ ৭২ পৃষ্ঠার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মাত্র চার কর্মদিবসে বিচারকাজ শেষে গত রোববার এই মামলার রায় দেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে ট্রাইব্যুনালের অফিস সহায়ক শহিদুল ইসলামকে লাল কাপড়ে মোড়ানো নথি পুলিশি নিরাপত্তায় বহন করে উচ্চ আদালতে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ প্রথম আলোকে বলেন, আজকে মামলাটির ৬৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়সহ মোট ৭২ পৃষ্ঠার নথি উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গত রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন আলোচিত এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান অভিযুক্ত আসামি সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ১৯ মে পল্লবীর একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশুটির খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করা হয়। ফ্ল্যাটটির বাসিন্দা আসামি সোহেল রানা ঘটনার পর বাসার শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়। আর সেদিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন। গত ২০ মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার। ১ জুন তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর চার্জ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক শেষে ৭ জুন রায় ঘোষণা করেন আদালত।