ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, এই চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন উৎসবকে সামনে রেখে বাজারে জাল টাকা ছড়িয়ে দেন। বিভিন্ন হাটবাজারের দোকান, মার্কেট ও ব্যাংকের মাধ্যমে এসব টাকা ছড়িয়ে দেন চক্রের সদস্যরা। ব্যাংকে যখন ভিড় থাকে তখন কৌশলে গ্রাহককে জাল টাকা দিয়ে দেওয়া হয়।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে হারুন–অর–রশিদ বলেন, ‘আমরা তাঁকে অপরাধী হিসেবে গ্রেপ্তার করেছি। তিনি একসময় পুলিশে চাকরি করতেন। তবে কী কারণে তাঁর চাকরি চলে গিয়েছিল, সে তথ্য আমার জানা নেই।’

default-image

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হুমায়নের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ডিবি জানায়, হুমায়ন তাঁর পাঁচ সহযোগীর নাম বলেছেন। তাঁরা হলেন ইমাম হোসেন (৩০), মো. আলাউদ্দিন (৩৫), মো. সাইফুল (৩০), মো. মজিবর (৩২) ও আলাউদ্দিন (৪২)। বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে এই চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন সময় কারাগারে ছিলেন। সেখানেই তাঁদের পরিচয় হয়। পরে জামিনে বেরিয়ে একসঙ্গে জাল টাকার কারবারে জড়িয়ে পড়েন।

ডিবি জানায়, গ্রেপ্তারের সময় হুমায়ন কবিরের ফ্ল্যাটে তল্লাশি করে ১৬ লাখ জাল টাকা ও জাল টাকা তৈরির ল্যাপটপ, প্রিন্টার, লেমিনেশন মেশিন, পেস্টিং গামের কৌটা, টাকা তৈরির ডাইস, ফয়েল পেপার, টাকা তৈরির কাগজ, মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন