আবেদনে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তাঁরা হলেন শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (ওসি) আবুল হাসান, রমনা থানার তৎকালীন পরিদর্শক (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম, শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার রায়, সাইদুর রহমান, অমল কৃষ্ণ ও শাহরিয়ার রেজা।

মামলার আবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সালের ৬ মার্চ সকালে জাকির ছাত্রদলের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য জাতীয় প্রেসক্লাবের উদ্দেশে বাসা থেকে রওনা হন।

মিছিল শেষে মৎস্য ভবনের সামনে যান জাকির। সেখান থেকে জাকির ও আক্তার হোসেন নামের আরেক ব্যক্তিকে ধরে রমনা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। তাঁদের সেখানে নির্যাতন করা হয়। পরে জাকির ও আক্তারকে শাহবাগ থানায় নিয়ে আরেক দফা নির্যাতন করে পুলিশ। শাহবাগ থানার মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৮ মার্চ আদালতে তোলা হয়।

আবেদনে বলা হয়, জাকিরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করা হয়েছিল। রিমান্ড শেষে একই বছরের ১১ মার্চ তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। পরদিন কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে মারা যান জাকির।