পুলিশ, মাদ্রাসাটির শিক্ষক ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, আট বছর বয়সী ওই শিশু মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের আবাসিক ছাত্র ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যার ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষক আবদুল জলিল ওই ছাত্রকে মাদ্রাসার ভান্ডারকক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রের বাবা বাদী হয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। এরপর রাতেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করে।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান ইমাম জানান, ওই মাদ্রাসাশিক্ষক পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাঁকে আজ দুপুরে ফেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন