স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা বিল্লাল হত্যা মামলায় খাজা হাবিব কারাগারে

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতফাইল ছবি

রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার খাজা হাবিবুল্লাহ হাবিবকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আজ আদালতে খাজা হাবিবের জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী ইলতুৎমিশ সওদাগর এ্যানী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। শুনানি নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ৭ আগস্ট খাজা হাবিবকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে তাঁকে রমনা মডেল থানায় নেওয়া হয়। সেদিন দিবাগত রাত দেড়টার দিকে তিনি থানায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সুস্থ হওয়ার পর তাঁকে আজ আদালতে হাজির করে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আতিকুল আলম খন্দকার আজ খাজা হাবিবকে আদালতে হাজির করেন। আদালতে দেওয়া আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিকে কারাগারে আটকে রাখা প্রয়োজন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, নিহত বিল্লাল হোসেন খাবার হোটেলের ব্যবসা করতেন। তাঁর ভাগনে মোবারক হোসেন (আকাশ) মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের ব্যবসায়ী। মামলার আসামি দিদারুল ইসলাম বাবু ওই মার্কেটের ফুটপাত ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত বিদ্যুৎ ও ময়লা পরিষ্কারের বিলের নামে চাঁদা তুলতেন। এ নিয়ে দিদারুলের সঙ্গে মোবারকের বিরোধ চলছিল।

এরই জেরে গত ৮ জুন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মোবারকের বিষয়ে কথা বলার জন্য বিল্লালকে আনারকলি মার্কেটের পেছনে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে দিদারুলসহ অন্য আসামিরা রাত পৌনে আটটার দিকে বিল্লালের ওপর হামলা চালান ও মারধর করেন। একপর্যায়ে দিদারুলের নির্দেশে রিয়াজুল ছুরি দিয়ে বিল্লালের বুকে আঘাত করেন।

আরও পড়ুন

গুরুতর আহত বিল্লালকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে রাত পৌনে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বিল্লালের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা মডেল থানায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।