র‌্যাবের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফরহাদ নিজেকে ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তা বলে পরিচয় দিতেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসক, ব্যাংক কর্মকর্তা এবং নোটারি পাবলিকের অবৈধ সিল ও প্যাড ব্যবহার করে ভারত যেতে ইচ্ছুক ব্যক্তির জন্য ভুয়া নথি তৈরি করতেন। পরে এসব নথি দিয়ে ভিসার আবেদন করতেন ওই ব্যক্তিরা। অভিযানে তাঁর কাছ থেকে ৩টি পাসপোর্ট, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের চিকিৎসকদের ১২টি সিল, ২টি প্যাড, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের ভুয়া প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন ব্যাংকের স্টেটমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ফরহাদ পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে চিকিৎসা ভিসায় যাঁরা ভারতে যাওয়ার জন্য বৈধ উপায়ে ভিসা করতে পারেন না, তাঁদের চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি তৈরি করে দিতে প্রতিজনের কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করতেন। এসব নথি বাসায় বসে নিজের কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রস্তুত করতেন তিনি। বিদেশগামী বিভিন্ন ব্যক্তি ও রোগীদের কাছ থেকে এভাবে প্রায় তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন