মন্টুর মা নুরজাহান বেগম প্রথম আলোকে বলেন, দুপুরে মন্টু ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় পুলিশের পাঁচ সদস্য ঘরে ঢুকে তাঁকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে মন্টু অচেতন হয়ে পড়েন। পরে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানতে চাইলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মন্টু একজন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারী। কাঞ্চন নামের এক মাদক কারবারিকে আটকের পর মন্টুর বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। কাঞ্চনকে নিয়ে অভিযানে গেলে মন্টু অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মর্গে রাখা হয়েছে।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, মন্টু বিশ্বাসের বাড়ি মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে। বাবুবাজারের কলাপট্টি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করছিলেন তিনি।