৭ জুলাই রাতে ইমনকে গাজীপুর কালিয়াকৈর রসুলপুর এলাকার বাসা থেকে বের হওয়ার পর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলে ইমনের পরিবার কালিয়াকৈর থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করে। ১৬ জুলাই বিকেলে সাভারের আমিন বাজার কেবলার চর এলাকার তুরাগ নদী থেকে ইমনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন বলেন, ভুক্তভোগী ও আসামিরা পূর্বপরিচিত। তাঁরা এক সঙ্গে মাদক ক্রয় এবং সেবন করতেন। ইমনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গ্রেপ্তার দুই আসামির মধ্যে বিরোধ ছিল। সম্প্রতি প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্বে রাশেদুল ইসলাম চার সহযোগীসহ ইমনকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী রাশেদুল ৭ জুলাই রাতে ফোন করে ইমনকে বাড়ির পাশে বটগাছতলায় আসতে বলে। ইমন রাতের খাবার খেয়ে তাঁর মায়ের কাছ থেকে ২০০ টাকা নিয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে বাসা থেকে বের হয়।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী বটগাছতলায় রাশেদুল, বিপুলসহ অন্যরা আগে থেকেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত ছিলেন। ইমন সেখানে আসা মাত্রই প্রেমিকাকে গালিগালাজ শুরু করেন রাশেদুল। বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাশেদুল ইমনকে কোপ দেয়। এ সময় অন্যরাও ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমনকে এলোপাতাড়িভাবে কোপাতে থাকে। পরে ইমনকে তুরাগ নদীতে ভাসিয়ে দিয়ে চলে যায়।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন