রোববার ঢাকার মাতুয়াইল, ডেমরা, নারায়ণগঞ্জ এবং কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবি বলছে, বিভিন্ন পেশার ছদ্মবেশে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেন এই চোর চক্রের সদস্যরা। সেই তথ্যের ভিত্তিতে চক্রের ১০ থেকে ১১ সদস্য মিলে রাতে দোকানের শাটার কেটে চুরি করেন।

চক্রের গ্রেপ্তার সদস্যরা হলেন দলনেতা বাবু ও তাঁর সহযোগী আলমগীর হোসেন মালু, মো. রুবেল ও মো. ইসহাক। গ্রেপ্তারের সময় তাঁদের কাছ থেকে ১৫টি মুঠোফোন, তালা কাটার ২টি যন্ত্র বা কাটার, ৪টি তালা, ১০টি চাবি, ২টি সেলাই রেঞ্চ, ৫টি স্ক্রু ডাইভার, একটি রেদ, সরঞ্জামাদি বহন করার দুটি ব্যাগ এবং নগদ ৭৮ হাজার টাকা।

ডিবির লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, দলনেতা বাবু ১৫ বছর ধরে চুরি করে আসছে। চট্টগ্রাম ও কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা চুরির সঙ্গে জড়িত। গ্রেপ্তার সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদে ৫০টি চুরির সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করেছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, চোর চক্রের সদস্যরা সোনা, কাপড়, বিকাশ, ফল ও হার্ডওয়্যারের দোকানে চুরি করেন। চুরির অর্থ বা মালামালের ২০ শতাংশ নেন দলনেতা বাবু, শরিফ, সুমন, শাহেদ। বাকি টাকা সবাই ভাগাভাগি করে নেন।

ডিবি জানায়, গত ১৭ অক্টোবর বংশালের মাদ্রাসা মার্কেটের একটি দোকানে চুরির ঘটনার তদন্তে নেমে এই চক্রের সন্ধান পায় ডিবি। গ্রেপ্তার চোর চক্রের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে ডিবি জানায়, দোকানে চুরির সঙ্গে পাঁচ থেকে ছয়টি চক্রে সক্রিয় রয়েছে।