মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ওই কিশোরী বাড়ির পাশে শৌচাগারে যাওয়ার সময় আগে থেকে ওত পেতে থাকা বায়েজিদ হোসেন কিশোরীর মুখে রুমাল গুঁজে একটি ঝোপের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় কিশোরীর চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে বায়েজিদ হোসেন দৌড়ে পালিয়ে যান।

আদমদীঘি থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, ধর্ষণের অভিযোগে বায়েজিদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বগুড়ার একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।