দুদকের আইনজীবী কাজী ছানোয়ার আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৩২ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার দায়ে আবুল বশর চৌধুরীকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। আরেকটি ধারায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। এত দিন আসামি আবুল বশর চৌধুরী হাজির থাকলেও রায় ঘোষণার দিন পলাতক থাকেন। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করেছেন।

দুদক সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক নিরাপত্তা পরিদর্শক আবুল বশর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৬৯ লাখ ৬ হাজার ৫৯৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুদক। তদন্ত শেষে পরের বছরের ৩০ আগস্ট তাঁর বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের সত্যতা পাওয়ায় অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

২০১৭ সালের ৬ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচার শুরু হয়। ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত আজ রায় দেন।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন