‘কাইল্যা পলাশকে’ গুলির ঘটনায় আরও একজন গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তারপ্রতীকী ছবি

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন খান পলাশ ওরফে কাইল্যা পলাশকে গুলির ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। তাঁর নাম মারুফ সুলতান ওরফে ফেরদৌস (৩৭)।

আজ সোমবার র‍্যাব-৩ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল রোববার হাতিরঝিল থানার উত্তর নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলি এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে মারুফ সুলতানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায়।

র‍্যাব জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পলাশ ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পশ্চিম রামপুরার বিটিভি ভবনের বিপরীতে লাবিবা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের সামনে পলাশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে পলাশ মাথায় গুলিবিদ্ধ হন।

পরে পলাশের ছেলে ইউসুফ খান পলক ও স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে রামপুরার ডেল্টা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

র‍্যাব বলছে, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তাঁদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে পলাশকে গুলির ঘটনায় ইমাম হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় হামলায় ব্যবহৃত বলে সন্দেহ হওয়া একটি মোটরসাইকেল ও একটি হেলমেট জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইয়াছিন খান পলাশ একসময় পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন। যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলায় তিনি দণ্ডিত ছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তিনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান।

আরও পড়ুন