ওসমান হাদি হত্যা মামলায় সাবেক কাউন্সিলর তাইজুলের পাসপোর্ট ব্লকের নির্দেশ

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে নাম উঠে আসা মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) পাসপোর্ট ব্লকের (অবরুদ্ধ) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সিআইডির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন আদেশের তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

রাজধানীর পল্লবী থানায় গত ৫ মার্চ মানি লন্ডারিং আইনে তাইজুলের বিরুদ্ধে মামলাটি হয়। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক মো. সোহেল রানা এ মামলায় তাইজুলের পাসপোর্ট ব্লকের আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামি তাইজুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে বাপ্পী অবৈধভাবে ইটভাটা স্থাপন, দলিল-দস্তাবেজ জালিয়াতি, প্রতারণা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্নভাবে ২ কোটি ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৫১ টাকা মানি লন্ডারিং–সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি বর্তমানে পলাতক এবং গ্রেপ্তার এড়াতে যেকোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁর বিদেশ গমন রোধে পাসপোর্ট ব্লক এবং গ্রেপ্তারের জন্য ইমিগ্রেশন পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সেদিন ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেছিলেন, শরিফ ওসমান বিন হাদি নতুন ধারার রাজনীতি শুরু করেছিলেন। সেই রাজনীতির কারণেই ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরীর (বাপ্পী) নির্দেশনা ও পরিকল্পনায় ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।