মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ৭ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১০টার দিকে আসামি মিঠুন শেখ মুঠোফোনে ওই মেয়েটিকে তাঁর বাড়ির পেছনে আসতে বলেন। মেয়েটি সেখানে আসামাত্রই মিঠুন জোর করে পাশের পুকুরপাড়ে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। এতে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ফেলে পালিয়ে যান মিঠুন।

এ ঘটনায় ১১ ডিসেম্বর মেয়েটির বাবা তারাগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৯ মে আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। গত ৩০ আগস্ট মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি তাজিবুর রহমান বলেন, সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মিঠুন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ ছাড়া অপর আসামি আতিক মিয়াকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বাদীপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।