শিশুটির বড় বোন ২০–২২ বছরের সালেহা আক্তার আজ ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, গত সোমবার বিকেলে বাসা থেকে ১০ টাকা নিয়ে চিপস খাওয়ার জন্য বের হয় মারজানা। আধা ঘণ্টা পার হলেও বাসায় না ফেরায় তাঁরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করেন। পরে নগরের কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

কী কারণে এই শিশুকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে সালেহা আক্তার বলেন, তাঁদের কোনো শত্রু নেই। কী কারণে এ ঘটনা, তাঁরা বুঝতে পারছেন না। তবে জামাল খান এলাকায় এক যুবক স্কুলে আসা–যাওয়ার পথে শিশুটির সঙ্গে কথা বলতেন। এ ঘটনায় ওই যুবক জড়িত কি না, তদন্তের দাবি তাঁদের। এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার চান তাঁরা।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (দক্ষিণ) নোবেল চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইউনিট এসে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে কি না, তদন্ত করা হচ্ছে।