প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধে হত্যাকাণ্ড জানিয়ে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুর রহিম প্রথম আলোকে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর পেয়ে আনোয়ারা উপজেলা থেকে গোলাম কাদেরকে এবং সাকিবকে চন্দনাইশ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) মোস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়ে তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, এক কিশোরীর সঙ্গে কাদেরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে তা ভেঙে যায়। এরপর সাকিবের সঙ্গে ওই কিশোরীর নতুন করে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ অবস্থায় ওই কিশোরীর সঙ্গে রকিবুলের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। কাদের, সাকিব ও রকিবুল তিনজনই বন্ধু। ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ককে ঘিরে তাঁদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধ থেকে তাঁরা নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নানা বিষয়ে স্ট্যাটাস দিতেন। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী রকিবুলকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয়। ঘটনায় পাঁচজন অংশগ্রহণ করেন। অপর তিনজনকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বাকলিয়া থানার ওসি আবদুর রহিম জানান, কাদের পান-দোকানি এবং সাকিব কাঠমিস্ত্রির কাজ করেন। তাঁরা টিকটক করে ফেসবুকে দেন। গ্রেপ্তার দুজনকে আজ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করেছে পুলিশ।

নিহত রকিবুলের বাবা মো. শরীফ প্রথম আলোকে বলেন, বন্ধুরা তাঁর ছেলেকে খুন করেছেন। ছেলেকে খুনের বিচার চান তিনি। তাঁর ছেলেকে কেন খুন করা হয়েছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে প্রেম করত, এটাই অপরাধ।’