ডিবি প্রধান বলেন, ‘আমরা যদি তথ্য পাই, কেউ ডলার মজুত করছেন, কারও কাছে অবৈধ ডলার তৈরির মেশিন বা সরঞ্জামাদি আছে, তাহলে অবশ্যই আমরা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করব।’

অবৈধ ডলার মজুতকারীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানান হারুন অর রশীদ।
খোলাবাজারে ডলারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০টি দল গতকাল বুধবার রাজধানীর গুলশান, পল্টন ও মতিঝিলের ২০টি মানি চেঞ্জার পরিদর্শন করে ডলার কেনাবেচার তথ্য সংগ্রহ করে। এই পরিদর্শনকালে সঙ্গে ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা। ফলে খোলাবাজারে ডলারের দাম গতকাল ১০৮ টাকায় নেমে আসে, গত মঙ্গলবার যা ১১২ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

ডলার-সংকটে দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে রয়েছে। বর্তমানে চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন