মামলার অপর দুই আসামি হলেন দারুস সালাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম ও প্রসেঞ্জিত কুমার।

মামলার আরজিতে আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, গত ১ মে দারুস সালাম থানাধীন একটি বাসা থেকে ৩০টি ইয়াবা বড়িসহ দুজনকে আটক করেন স্থানীয় লোকজন। তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান। পরে আটক করা ব্যক্তিদের দেখতে আসেন দারুস সালাম থানার এসআই রফিকুল ইসলাম।

কনস্টেবল আবদুর রাজ্জাকের অভিযোগ, মাদকসহ আটক ব্যক্তিদের তথ্য ডিবিকে জানানোয় তাঁর ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেন রফিকুল। তখন রাজ্জাককে দারুস সালাম থানায় যেতে বলা হয়। থানায় গেলে পুলিশ পরিদর্শক জামাল হোসেনও তাঁকে বকাঝকা করেন। একপর্যায়ে জামাল হোসেন তাঁকে প্রচণ্ড মারধর করেন।

মামলায় আরও বলা হয়েছে, শারীরিকভাবে নির্যাতনের একপর্যায়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া রাজ্জাককে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে দারুস সালাম থানার একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয় তাঁকে। ১৬ মে জামিনে ছাড়া পান তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তা অস্বীকার করেন পুলিশ পরিদর্শক জামাল হোসেন। রোববার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কনস্টেবল আবদুর রাজ্জাক মাদক মামলা থেকে বাঁচার জন্য তাঁদের হয়রানি করতে এ মিথ্যা মামলা করেছেন।