জানতে চাইলে হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন দেব আজ বৃহস্পতিবার প্রথম আলোকে বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’–এর মাধ্যমে খবর পেয়ে মালিবাগের বাগানবাড়ি এলাকার একটি বাসা থেকে নাঈমের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। একই কক্ষে মেঝেতে পড়েছিল কিশোরী ফাতেমা। নাঈমের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সুজন দেব আরও বলেন, বাগানবাড়ি এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ১৫ দিন আগে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই বাসায় ওঠেন নাঈম-ফাতেমা।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ফাতেমা সুস্থ হলে বিস্তারিত জানা যাবে। আর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে নাঈমের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মৃত্যুর খবর শুনে আজ বৃহস্পতিবার নাঈমের মামা মামুন মজুমদার ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে আসেন। তিনি বলেন, ‘নাঈম ঢাকার শাহবাগে আজিজ কো–অপারেটিভ সুপার মার্কেটে একটি কাপড়ের দোকানে কাজ করত। আমার জানামতে সে বিয়ে করেনি। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট।’ তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার বরুড়ায়।

অসুস্থ ফাতেমাকে দেখতে আজ হাসপাতালে এসেছিলেন ফাতেমার স্বজনেরাও। তাঁর বাবা বাদল মিয়া বলেন, ‘আমি মালিবাগে একটি আবাসন নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। ফাতেমার সঙ্গে চার মাস যোগাযোগ নেই। আজ পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পাই।’

ফাতেমার মামি সোনালি আক্তার জানান, ফাতেমা গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে থাকত। তার মা থাকেন জর্ডানে। শুনেছেন একটি ছেলেকে বিয়ে করেছে সে।