হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ফারদিন ৪ নভেম্বর নিখোঁজ হন, ৫ নভেম্বর তাঁর বাবা রামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর পর থেকেই আমরা ছায়া তদন্ত শুরু করি। ৭ নভেম্বর তাঁর লাশ শীতলক্ষ্যা নদী থেকে উদ্ধার হয়। এর দুই দিন পর গতকাল রাতে তাঁর বাবা বাদী হয়ে রামপুরা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলায় বুশরা নামের এক শিক্ষার্থীকে আসামি করা হয়েছে। তিনি ফারদিনের বান্ধবী। তাঁকে এর আগেও আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। মামলা হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছি। তাঁকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পারিবারিক, সামাজিক কোনো কারণ ছিল কি না, তা দেখা হচ্ছে বলে জানিয়ে ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সিসি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই–বাছাই চলছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটছে আমরা এখনই বলতে পারছি না। একটু সময় লাগবে। আমাদের দুই–তিনটি টিম কাজ করছে প্রতিদিন। আরও পারিপার্শ্বিক বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত করা হচ্ছে।’

আজ সকালে রাজধানীর রামপুরার বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।