আজ বুধবার জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত নগরের বাকলিয়ার বউবাজারের সুবর্ণ আবাসিক এলাকায় গড়ে ওঠা এই ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়েছেন। ফাহিমার স্বামী হাসপাতালটির পরিচালক শাহাদাত হোসেনকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়, আটক করা হয় ফাহিমাকে।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত অভিযানটি চালান। অভিযানে ডেপুটি সিভিল সার্জন মো. ওয়াজেদ চৌধুরী এবং বাকলিয়া থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নিয়ম অনুযায়ী, একজন ধাত্রী অনুমোদিত হাসপাতালে চিকিৎসকের উপস্থিতিতে প্রসবকাজে সহায়তা করতে পারেন।

প্রতীক দত্ত বলেন, ফাহিমা নিজে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার এবং প্রসব করতেন। ক্লিনিকটির কোনো অনুমোদন ছিল না। ১৩ জানুয়ারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রসব করাতে গিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস নামের এক প্রসূতি মারা যান এখানে। কোনোরকম অভিজ্ঞতা এবং চিকিৎসকের উপস্থিতি ছাড়া প্রসব করাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। তাঁরা এভাবে করতে পারেন না। মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৮২ অনুযায়ী শাহদাতকে অর্থদণ্ড এবং ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর ফাহিমার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যু শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কাজ করছি। চট্টগ্রামের কোনো জায়গায় এ রকম অবৈধ হাসপাতাল গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না। যেখানেই তথ্য পাওয়া যাবে, সেখানেই অভিযান চালানো হবে।’