কিডনি চিকিৎসক কামরুলের হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ তিনজন রিমান্ডে
কিডনি চিকিৎসক কামরুল ইসলামের হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগে শেরেবাংলা নগর থানায় করা মামলার প্রধান আসামি মো. মঈন উদ্দিনসহ তিনজনকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। রিমান্ড হওয়া অপর দুজন হলেন তদন্তে পাওয়া সন্দেহভাজন এমবি স্বপন কাজী (২৫) ও মো. শাওন হোসেন।
পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামশেদ আলম আলোচিত এ মামলায় আজ মঙ্গলবার তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক মো. ছাব্বির হোসেন। রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আজিজুল হক দিদার। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয়ে শুনানি করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, মামলার পলাতক আসামি ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের পরিচয় উদ্ঘাটন এবং গ্রেপ্তারের সূত্র সংগ্রহ, ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া অন্য ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা ও অবস্থানসম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ, মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামি, পরিকল্পনাকারী ও উসকানিদাতাদের পরিচয় নিশ্চিত করাসহ অপরাধ সংঘটনের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উন্মোচনের জন্য আসামিদের পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
গত শুক্রবার ঢাকার শ্যামলীতে কামরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে এক যুবদল নেতার পরিচয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে হাসপাতালের অস্ত্রোপচারকক্ষের ইনচার্জ আবু হানিফ এ ঘটনায় শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা করেন।
এর আগে গতকাল এ মামলার অপর চার আসামিকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। তাঁরা হলেন মো. ফারুক হোসেন (৪২), মো. লিটন মিয়া (৩৮), মো. ফালান মিয়া (৪২) ও মো. রুবেল (৪২)।