ডিবি জানিয়েছে, গত ৩০ অক্টোবর মুগদা প্রথম গলিতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতুলের সঙ্গে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি হয় সজিব ও হিরার। পরে হিরা ফোন করে সজিবের বন্ধু রাসেলকে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে পূর্ব মানিকনগরে আসতে বলেন। পরদিন ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে রাতুল, রাসেল, পারভেজ, শামীম ও ফাহিমসহ কয়েকজন সেখানে যান। হিরা ও তাঁর বন্ধুরাও সেখানে আসেন। আগের বিরোধ নিয়ে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষ উত্তেজিত হয়। 

ডিবি জানায়, কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে হিরা, আরাফাত হোসেন, রাকিব, শরীফুন্নেছা, নাসিরউদ্দিন, রহিমা বেগম ও রবিউলসহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জন রাতুলদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও রাতুল ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পড়ে যান। এরপর তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এর মাধ্যমে খবর পেয়ে মুগদা থানার পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রাতুলকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থ রাতেই মৃত্যু হয় রাতুলের। এ ঘটনায় তাঁর বাবা আতিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মুগদা থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্তে নেমে ডিবির মতিঝিল বিভাগ গ্রেপ্তারকৃত সাতজনের হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততা পান। 

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আরাফাত হোসেন ওরফে রাজু (৩০), হিরা (২৮), আবদুর রাকিব (২০), শরীফুন্নেছা (৩৬), রহিমা বেগম (৪১), নাসিরউদ্দিন (২২) ও রবিউল ইসলাম (২২)।