বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, ওই পার্টি শেষে ধামরাই থেকে ফেরার পথে প্রথমে বাসের ভেতর গাঁজা সেবন নিয়ে বয়সে ছোট ও বড়দের দুটি দলের মধ্যে তর্ক হয়। একপর্যায়ে ছোটরা জ্যেষ্ঠ একজনের বান্ধবীকে উত্ত্যক্ত করেন। ওই নারী আসাদগেটে বাস থেকে নামার পর দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।

এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, পরে বড়দের দলের রাব্বী হোসেন চাকু নিয়ে ছোটদের দিকে তেড়ে যান। ছোটরা সেই চাকু কেড়ে নিয়ে রাব্বীসহ আরেকজনকে ছুরিকাঘাত করেন। আহত রাব্বি হোসেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২ নভেম্বর রাতে মারা যান।

এরপর বুধবার ঢাকার হাজারীবাগ, মোহাম্মদপুর, লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্ত ফারুক, জিতু ও জসিমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয় হত্যায় জড়িত মোস্তফা, জোবায়ের ওরফে যুবরাজ ওরফে জয়, রোমান ও রাব্বি নামের আরেকজনকে।

হাফিজ আক্তার বলেন, গ্রেপ্তার তরুণেরা হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে রাব্বী ছাড়াও আরেকজন আহত হন। শাওন নামেরও ওই তরুণ আশঙ্কামুক্ত। তিনি বলেন, অভিযুক্ত তুরুণদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত ফারুকের নামে হাজারীবাগ থানায় তিনটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। অন্য অভিযুক্তরাও বয়সে তরুণ। তাঁরা কেউ কেউ ছাত্র, কেউ কারখানার কর্মচারী।