র‍্যাব জানায়, ২০০৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নিপা আক্তার ও ৩ বছর বয়সী মেয়ে জ্যোতি আক্তারকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন জাকির। স্ত্রী-সন্তান খুন করে তিনি পালিয়ে যান। পরে ধরা পড়েন। ২০১০ সালে তিনি জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পলাতক জাকিরকে গত বছরের সেপ্টেম্বরে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত।

র‍্যাবের ভাষ্য, জাকির বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করেন। এই সময় তিনি একাধিকবার পেশা পরিবর্তন করেন। তিনি গার্মেন্ট, স্পাইরাল বাইন্ডিং ও ঝুটের ব্যবসা করেন। একপর্যায়ে তিনি ছদ্মবেশ নিয়ে বাউল গানের দলের সঙ্গে ঘুরে বেড়ান। ২০১৩ সালে তিনি আবার বিয়ে করেন। এই সংসারে তাঁর দুই মেয়েসন্তান আছে।

হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে র‍্যাব জানায়, ২০০০ সালে জাকিরের সঙ্গে নিপার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক নিয়েছিলেন জাকির। বিয়ের পর আরও যৌতুকের জন্য নিপাকে নির্যাতন করেন জাকির। বিয়ের দুই বছর পর তাঁদের কন্যাসন্তান হয়। ২০০৫ সালে নিপা আবার অন্তঃসত্ত্বা হন। এ সময় তিনি জানতে পারেন, অপর এক নারীর সঙ্গে জাকিরের সম্পর্ক রয়েছে। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কলহ হয়। এই কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মেয়েকে খুন করেন জাকির।

অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন