মিলনকে আসামি করে ২০১৮ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগ। তারা ২০১৯ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

আদালত অভিযোগপত্র আমলে নেন। ২০২০ সালের ৫ অক্টোবর মিলনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় অভিযোগের পক্ষে সাতজন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার কাগজপত্রের তথ্য বলছে, আসামি মিলন নিজেকে দূতাবাসের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ডিজিটাল প্রতারণার মাধ্যমে ভিসাপ্রত্যাশী লোকজনের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেন।

আসামি মিলন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তবে তিনি জামিনে গিয়ে পলাতক হন।