আজ শনিবার তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আযম মিয়া জানিয়েছেন। ঘটনা সম্পর্কে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মানিকগঞ্জের বাসিন্দা মো. শহীদুল ইসলাম তাঁর এক ভাগনেকে নিয়ে গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে প্রাইভেট কারে করে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরে যান। সেখানে এক বন্ধুকে বিদায় জানিয়ে ফেরার পথে রাত সোয়া দুইটার দিকে মহাখালীর আমতলী এলাকায় ফ্লাইওভারের ওপর একটি প্রাইভেট কার দিয়ে তাঁদের গাড়ির পথ আটকানো হয়। ওই গাড়ি থেকে তিনজন নেমে তাঁদের গাড়ির পাশে এসে পিস্তল দেখিয়ে সব মালামাল দিয়ে দিতে বলেন। একপর্যায়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তাঁরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় এগিয়ে আসা লোকজন আরিয়ান আহমেদকে ধরে ফেলেন।

পরে শহীদুল ইসলাম ৯৯৯–এ ফোন করলে বনানী থানার উপপরিদর্শক মীর মো. মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আরিয়ানকে গ্রেপ্তার করেন। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনায় জড়িত অপর দুজন র‌্যাব সদস্য মোমেন ও গাড়িচালক ফরহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় বনানী থানায় তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

শহীদুল ইসলামের অভিযোগ, আসামিরা তাঁদের মারধর করেন। তাঁদের গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। দুজনই শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত পাওয়ায় সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

র‌্যাব সদস্য মোমেন ও তাঁর সহযোগীদের কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল, একটি হাতকড়া, র‌্যাব লেখা জ্যাকেট ও একটি প্রাইভেট কার উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে র‍্যাব–১–এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন প্রথম আলোকে বলেন, আল মোমেন ২০২১ সাল থেকে র‍্যাব–১–এ কর্মরত আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।