ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির মামলা: তানিম ও রাকিবুল রিমান্ড শেষে কারাগারে
ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হলো ঢাকার মতিঝিল এলাকার ‘সন্ত্রাসী’ তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে।
আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ এই আদেশ দেন।
সাত দিনের রিমান্ড শেষে এদিন দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিনুর রহমান। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন বলে প্রথম আলোকে জানান আদালতে পুলিশের প্রসিকিউশন শাখার কর্মকর্তা এসআই রোকুনুজ্জামান।
১৭ জুলাই সকালে হোটেল পূর্বাণী–সংলগ্ন এলাকা থেকে তানিম এবং দুপুরে উত্তর কমলাপুর থেকে রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করা হয়। ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের করা মামলায় পরদিন তাদের আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
ইসমাইল হোসেন পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি মতিঝিল থানাধীন ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে কোরবানির অস্থায়ী গরুর হাটের ইজারাদার ছিলেন।
মামলায় ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করেন, গত ১৫ মে রাত সাড়ে ১১টার দিকে এজিবি কলোনিতে অবস্থানের সময় তাঁর ব্যবহৃত মুঠোফোনের হোয়াটসঅ্যাপে কল আসে। কল রিসিভ করার পর আসামি তানিম গরুর হাটে অংশীদার হিসেবে তাঁর মনোনীত লোককে রাখার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। এ সময় তানিম ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। মনোনীত লোককে না নিলে এবং চাঁদার টাকা না দিলে তাঁকে গুলি করে মেরে ফেলারও হুমকি দেন।
চার দিন পর ১৯ মে ভোরে ইসমাইলের কার্যালয়ে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ২০ মে ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় চাঁদাবাজির মামলা করেন। এরপর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তানিম ও রাকিবুলকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, রিভলভারের পাঁচটি গুলি, দুটি পিস্তলের গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, একটি ইলেকট্রিক গান ও একটি চায়নিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করে।