শেওড়াপাড়ায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ছোড়া ইটের আঘাতে আহত তরুণের মৃত্যু
রাজধানীর মিরপুরের শেওড়াপাড়ায় চলন্ত মোটরসাইকেলে ছোড়া ইটের আঘাতে গুরুতর আহত আরোহী সাজিদ চৌধুরী রাফি (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে সাজিদের মৃত্যু হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক।
মো. ফারুক বলেন, সাজিদের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কাফরুল থানাকে জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে ১০ জুন রাতে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সাজিদ চলন্ত মোটরসাইকেলে ছিলেন। এ অবস্থায় তাঁকে লক্ষ্য করে ইট নিক্ষেপ করা হয়। ইটের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। তাঁকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ ঘটনায় জড়িত হিসেবে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। তাঁরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাঁদের বিরুদ্ধে কাফরুল থানায় একাধিক মামলা আছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।
স্বজনদের ধারণা, সম্পত্তি–সংক্রান্ত বিরোধ থেকে এ হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁরা সন্দেহ করছেন। ঘটনার কয়েক দিন আগে এলাকার কয়েকজন যুবক সাজিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মেলামেশা শুরু করেছিলেন। এসব বিষয় তদন্তের আওতায় আনলে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটিত হবে বলে তাঁরা মনে করছেন।
সাজিদ রাজধানীর কাফরুলের ইব্রাহিমপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবার নাম শামসুল চৌধুরী। মা তানিয়া চৌধুরী। সাজিদ তাঁর বাবা–মায়ের একমাত্র সন্তান।
এই ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামি কারাগারে আছেন। তাঁরা হলেন মো. পারভেজ, আনোয়ার হোসেন বাবু ও মো. ফয়সাল ওরফে কালু।
পুলিশ বলছে, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছিল।
মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল জানান, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে সাজিদের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল।